বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২১

Beautiful Marine drive❤️

বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত হলো কক্সবাজার। 
আর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পাশ দিয়েই ছুটে গেছে এই মেরিন ড্রাইভ। 
একপাশে সমুদ্রের গর্জন অন্য পাশে পাহাড় জেনো এই রোডের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে দিয়েছে কয়েকগুণ।



বুধবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২১

খেলোয়াড় সংকটে জাতীয় দলের অনুশীলন বাতিল


অনুশীলন বাতিল করেছে টিম ম্যানেজমেন্ট
অনুশীলন বাতিল করেছে টিম ম্যানেজমেন্ট

ফাইল ছবি: প্রথম আলো

ডাক পাওয়া বাকি খেলোয়াড়দের মধ্যে অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ডেনমার্কে ও তারিক রায়হান অবস্থান করছেন ফিনল্যান্ডে। বাকি খেলোয়াড়দের মধ্যে থেকে বিশ্বনাথ ঘোষ ও মতিন মিয়া বাফুফেকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, পারিবারিক কারণে তাঁরা ক্যাম্পে যোগ দিতে পারবেন না। অন্যান্য খেলোয়াড় কেন আসছেন না, এ ব্যাপারে বাফুফের কিছু জানা নেই।


বিশ্বস্ত সূত্র বলছে, আমন্ত্রণমূলক এই টুর্নামেন্টের জন্য খেলোয়াড় ছাড়তে ক্লাবগুলোর আপত্তি আছে। কারণ, টানা খেলে যাওয়ায় খেলোয়াড়েরা ক্লান্ত। হিসাব করলে দেখা যায়, গত সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করে টানা খেলে যাচ্ছেন জাতীয় দলের ফুটবলাররা।

ঘরোয়া লিগ ও টুর্নামেন্টের বাইরে জাতীয় দল ও এএফসি কাপের ম্যাচ খেলতে হয়েছে জাতীয় দলের বড় একটি অংশের খেলোয়াড়দের। এই তো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলে ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ফিরেছে জাতীয় দল। তাই ফুটবল সংশ্লিষ্ট অনেকেই মনে করেন, আমন্ত্রণমূলক টুর্নামেন্টে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দিয়ে অনূর্ধ্ব-২৩ দলটাকে পাঠানো হলে এএফসি এশিয়ান কাপের আগে জাতীয় দলের পাইপ লাইনটা শক্তিশালী হতো।

৮ নভেম্বর প্রথম ম্যাচেই আফ্রিকার দেশ সিশেলসের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ১১ ও ১৪ নভেম্বর পরের দুই ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা।

রবিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২১

ওল্ড ট্রাফোর্ডে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে পাঁচ গোলের মালা পরাল লিভারপুল

 



কিন্তু আজ এই অবিশ্বাস্য ঘটনাটাই ঘটেছে। মোহাম্মদ সালাহর আলোয় ম্লান হয়েছেন রোনালদো, নাবি কেইতার শিল্পিত ছোঁয়ায় নুয়ে পড়েছে ব্রুনো ফার্নান্দেসের যত দাপট। দিওগো জোতার গতির কাছে হার মেনেছেন হ্যারি ম্যাগুয়াররা। ওদিকে ভার্জিল ফন ডাইকরা থামিয়ে দিয়েছেন রাশফোর্ড-গ্রিনউডদের যত হইচই। ওল্ড ট্রাফোর্ডে ৫-০ গোলে জিতেছে লিভারপুল।

হ্যাটট্রিক করেছেন মোহাম্মদ সালাহ, বাকি গোলগুলো করেছেন দিওগো জোতা ও নাবি কেইতা।

কোহলিদের ১০ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাসে বাবরের পাকিস্তান



আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৫১ রান তুলেছিল ভারত। বিরাট কোহলিদের বোলিং–শক্তি বিচারে লক্ষ্যটা তাড়া করা পাকিস্তানের জন্য মোটেও সহজ ছিল না। কিন্তু দুই ওপেনার বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের মসৃণ ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান যেন কোনোকিছু টের পাওয়ার আগেই জয় তুলে নিল!

ফিফটি তুলে নেন বাবর ও রিজওয়ান
ফিফটি তুলে নেন বাবর ও রিজওয়ান
ছবি: রয়টার্স

ক্যারিয়ারের প্রথম টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে নেমে প্রথম ম্যাচেই ভারতকে হারিয়ে বাবর বুঝিয়ে দিলেন এই বিশ্বকাপে পাকিস্তানও ফেবারিট। অন্যদিকে যশপ্রীত বুমরা, ভুবনেশ্বর কুমার, মোহাম্মদ শামিদের মতো ভুবন কাঁপানো বোলারদের নিয়ে পাকিস্তানের কোনো উইকেট ফেলতে পারেনি ভারত। বিরাট কোহলির আজ রাতে ঘুম হবে তো!

শাহিন আফ্রিদির কিন্তু দারুণ ঘুম হবে। ভারতের গভীর ব্যাটিং–অর্ডার বিচারে সংগ্রহটা খুব ভালো বলা যাবে না। তাতে বাঁহাতি এ পেসারের অবদান স্রেফ দুর্দান্ত। ভারতের ইনিংসে প্রথম তিন ওভারের মধ্যে বিপজ্জনক দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুলকে তুলে নেন তিনি। এরপর ফিফটি তুলে নিয়ে শেষ ওভারে যতটা বেশি সম্ভব রান তুলে নেওয়ার অপেক্ষায় থাকা কোহলিকেও তুলে নেন ১৮.৪ ওভারে।

শাহিন আফ্রিদি যদি পাকিস্তানের স্মরণীয় এ জয়ের প্রথম ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, বাবর ও রিজওয়ান তাহলে বাকি কাজটা সেরেছেন। ৫২ বলে ৬৮ রানে অপরাজিত ছিলেন বাবর। ওদিকে রিজওয়ান ৫৫ বলে ৭৯ রানে অপরাজিত থেকে দারুণ সঙ্গ দেন অধিনায়ককে।

বর্তমানে বাংলাদেশের শীর্ষ দশটি সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনগুলো?


একটা ব্যবসার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য থাকে প্রফিট তৈরি করা। যদি সে ব্যবসাটি প্রফিট করতে না পারে তাহলে, সে টিকে থাকতে পারবে না। বাংলাদেশ অসংখ্য ইন্ডাস্ট্রির অসংখ্য ব্যবসা আছে যারা খুবই প্রফিট করছে, তার মধ্যে সবথেকে এক্সক্লুসিভ দশটা ব্যবসার তালিকা নিচে দেয়া হল:

  1. ফাইনান্স এবং ব্যাংকিং: ফাইনান্স এবং ব্যাংকিং ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কিত যত প্রকার ছোট এবং মাঝারি ব্যবসা আছে সবাই খুবই ভালো মুনাফা অর্জন করছে। এই ইন্ডাস্ট্রি একটি এভারগ্রীন ইন্ডাস্ট্রি এবং সবসময় সবসময়ের জন্য এই ইন্ডাস্ট্রি সমৃদ্ধি অর্জন করছে এবং ভবিষ্যতেও এর সমৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকবে।
  2. ফুড এন্ড বেভারেজ: ফুড এবং বেভারেজ সংক্রান্ত যত প্রকার ব্যবসা আছে যা বর্তমান সময়ের জন্য সবথেকে বেশি লাভজনক ব্যবসা গুলোর মধ্যে একটি। এই ব্যবসাটি অতীতেও অনেক ভালো সমৃদ্ধি অর্জন করেছিল এবং ভবিষ্যতেও এই ইন্ডাস্ট্রি সংক্রান্ত যেকোন ব্যবসা সফলতা অর্জন করবে।
  3. ডিজিটাল প্রোডাক্ট: বর্তমান সময়ের জন্য একটি নতুন সুযোগ তৈরী হয়ে গেছে সেটা হচ্ছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। এই ডিজিটাল প্লাটফর্ম সংক্রান্ত সকল ধরনের পণ্যের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে এবং নিকট ভবিষ্যতে এর চাহিদা অনেক এক্সপোনেনশিয়াল হারে বৃদ্ধি পাবে অর্থাৎ প্রতি বছর 200% 300% হারে এর চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। লাভজনক ব্যবসার দিক থেকে এই ইন্ডাস্ট্রিতে সবথেকে প্রথম সারিতে থাকবে কারণ অল্প খরচ করে খুব সহজেই ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন ব্যবসা শুরু করা যায়।
  4. রিটেইল এবং ই কমার্স: করোনা পরবর্তীতে সবথেকে লাভজনক ব্যবসার মধ্যে এই ইন্ডাস্ট্রি এই ইন্ডাস্ট্রিতে এর ব্যবসা এবং বাজারের আকার প্রতিনিয়ত খুব দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এর সম্ভাবনা বিশাল। রিটেল বিজনেস সবসময়ের জন্য মুনাফাসমৃদ্ধি একটি বিজনেস।
  5. সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট: হাটি হাটি পাপা করে এই ইন্ডাস্ট্রি দিনকে দিন অনেক সমৃদ্ধি অর্জন করছে। বর্তমান বাংলাদেশ বাজারের মধ্যে সবথেকে ভালো একটি ইন্ডাস্ট্রি হচ্ছে এই সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট ইন্ডাস্ট্রি। ইন্ডাস্ট্রিতে অসংখ্য সুযোগ এবং সমৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে এবং এই ইন্ডাস্ট্রিকে ঘিরে প্রতিদিন অসংখ্য স্টার্টআপ তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশ। লাভজনক ব্যবসার দিক থেকে এই ইন্ডাস্ট্রি ও খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ অল্প খরচ করে খুব সহজেই ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন ব্যবসা শুরু করা যায় এবং সহজেই বড় করা যায়।
  6. স্বাস্থ্য এবং ফিটনেস: সর্বোচ্চ সেরা ইন্ডাস্ট্রি গুলোর মধ্যে এই ইন্ডাস্ট্রির বিজনেস খুব দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে দিনকে দিন এখানে অসংখ্য ব্যবসা তৈরি হচ্ছে এবং এবং এর মার্কেটের সাইজ আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
  7. অর্গানিক ফার্মিং: স্বাস্থ্যসচেতনতার কথা চিন্তা করে এই ব্যবসাগুলো বাংলাদেশের অনেক জনপ্রিয় হচ্ছে এবং অদূর ভবিষ্যতে এর জনপ্রিয়তার বৃদ্ধি পাবে এবং সব থেকে লাভজনক ব্যবসার মধ্যে এই অর্গানিক ফার্মিং এর বিজনেস কে গণনা করা হয়ে থাকে।
  8. কনসালটিং বিজনেস: যে কেউ তার দক্ষতার উপর ভিত্তি করে কনসাল্টিং বিজনেস শুরু করে দিতে পারেন এবং এই বিজনেসের প্রাথমিক মূলধন খুবই কম লেগে থাকে এবং সবথেকে লাভজনক ব্যবসা গুলোর মধ্যে এই ব্যবসাগুলো খুব ভালো অবস্থানে আছে।
  9. অনলাইন এডুকেশন: খুব অল্প টাকা বিনিয়োগ করে এই বিজনেস শুরু করা যায় এবং এই বিজনেসের প্রফিট মার্জিন অনেক বেশি থাকে এটা একটা সানরাইস ইন্ডাস্ট্রি যা দিনদিন সমৃদ্ধির দিকে এগোচ্ছে।
  10. ইলেকট্রনিক্স আইটেম: বাংলাদেশের অন্যতম লাভজনক ব্যবসা গুলোর মধ্যে এই ব্যবসাটি অবস্থান করছে। যার গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং যার মার্কেটের আকার এবং আয়তন প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

আমার এই পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন আপনাদের পরিচিত বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে আর অবশ্যই আমাকে উৎসাহিত করবেন যাতে আমি পরবর্তীতে এ ধরনের ভাল ভাল পোষ্ট আপনাদের সামনে নিয়ে উপস্থিত হতে পারি।


ধন্যবাদ 🙏

বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর, ২০২১

যে গ্রুপে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ যারা


স্কটল্যান্ড টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে দারুণ চমক দেখিয়েছে। নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) ওমানকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। ‘বি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুপার ‍টুয়েলভে পা রাখলো তারা। আর বাংলাদেশ গ্রুপ রানার্সআপ।

যে গ্রুপে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ যারা

গ্রুপ রানার্স আপ হওয়ায় বাংলাদেশ পড়েছে গ্রুপ-১ এ। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও সম্ভবত শ্রীলঙ্কা। 

 
আর স্কটল্যান্ড পড়েছে গ্রুপ-২ এ। তাদের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও প্রথম পর্বে ‘এ’ গ্রুপ থেকে আসা অন্য একটি দল। 
 
ওমানের দেওয়া ১২৩ রানের টার্গেট ১৭ ওভারেই ২ উইকেট হারিয়েই পেরিয়েছে স্কটল্যান্ড। স্কটিশদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেছেন কাইলে কোয়েতজার।
 
 বিশোর্ধ্ব ইনিংস আসে বাকি তিন জনের ব্যাট থেকে। রিভি বেরিংটন ৩১, ম্যাথিউ ক্রুস ২৬ ও গর্জ মুন্সেই ২০ রান করেন। ওমানের হয়ে একটি করে উইকেট নেন ফাইয়াজ বাট ও খাওসার আলী।
 
এর আগে টস ভাগ্য সহায় হয় ওমানের। কিন্তু সেই ভাগ্য কাজে লাগিয়ে ভালো একটা পুঁজি গড়তে পারেনি স্বাগতিকরা। স্কটিশ বোলারদের তোপে ১২২ রানেই গুটিয়ে যায় ওমানের ইনিংস। 
 
 
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় ওমান। ১৩ রানের মধ্যে হারিয়ে বসে ২ উইকেট। জতিন্দর সিং (০) আর ক্যাশপ প্রজাপতি (৩) ফেরার পর ভালো ব্যাটিং করে দলকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন ওপেনার আকিব ইলিয়াস। কিন্তু ৩৫ বলে ৩৭ রান করে সাজঘরে ফিরতে হয় ইলিয়াসকেও। এরপর সেট হয়ে আউট হয়েছেন মোহাম্মদ নাদিম (২১ বলে ২৫)। এক ধাক্কায় গেছে আরও দুই উইকেট।
 
 ১৭ রানের মধ্যে ৩ উইকেট খোয়ানো দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেছেন অধিনায়ক জিসান মাহমুদ। তবে বাকিদের কাছ থেকে সঙ্গ পাননি। ইনিংসের শেষ ওভারে ৩০ বলে ৩৪ করে আউট হন ওমান দলপতি।
 
শেষ ওভারে তিনটি উইকেট হারায় ওমান। শেষ ৫ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে তুলতে পারে মাত্র ২৮ রান। স্কটিশ বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল জশ ড্যাভে। ২৫ রানে নিয়েছেন ৩টি উইকেট। 
 
২টি করে উইকেট শিকার সাফইয়ান শরিফ আর মাইকেল লিস্কের। দিনের প্রথম ম্যাচে সুপার টুয়েলভে ওঠার লড়াইয়ে পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে ৮৪ রানের বড় জয় পায় বাংলাদেশ। এই জয়ের ফলে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত করল মাহমুদউল্লাহর দল।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু টাইগারদের সুপার টুয়েলভ পর্ব


ছবি: সংগৃহীত

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হারের পর বাংলাদেশ দলের সুপার টুয়েলভে উঠার আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন অনেকে। কিন্তু দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল টাইগাররা।

মঙ্গলবার ওমানের বিপক্ষে ২৬ রানে জয় ও বৃহস্পতিবার পাপুয়া নিউগিনিকে ৮৪ রানে উড়িয়ে দিয়ে গ্রুপ বি থেকে সবার আগেই সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত করেছে মাহমুদউল্লাহ বাহিনী।

বিশ্বকাপ শুরুর আগে আইসিসি বলেছিল, প্রথম রাউন্ডে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা নিজ নিজ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হোক বা রানার্সাআপই হোক, সুপার টুয়েলভে টাইগাররা ‘গ্রুপ টু’ এ এবং লঙ্কানরা ‘গ্রুপ ওয়ান’ এ খেলবে। সে হিসেবে দ্বিতীয় রাউন্ডে বাংলাদেশের পাওয়ার কথা ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও নিউজিল্যান্ডকে। কিন্তু বিশ্বকাপ শুরুর পর ভুল শুধরে নেয় আইসিসি। জানায় চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে কোন দল কোন গ্রুপে খেলবে। সে হিসেবে রানার্সআপ হওয়ায় সুপার টুয়েলভে বাংলাদেশ পাচ্ছে- ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। আর স্কটল্যান্ড পাচ্ছে- ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও নিউজিল্যান্ডকে।

সুপার টুয়েলভে বাংলাদেশের খেলা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের খেলার সূচিও। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের সুপার টুয়েলভ পর্ব।

শ্রীলঙ্কার সাথে ম্যাচটি হবে ২৪ অক্টোবর। ২৭ অক্টোবর দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নামবে টাইগাররা। ২৯ অক্টোবর উইন্ডিজ আর ২ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে লড়বে মাহমুদউল্লার দল। এছাড়া সুপার টুয়েলভের সবশেষ ম্যাচে ৪ নভেম্বর বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের সবগুলো ম্যাচই হবে বিকাল ৪টায়।

ইউএইচ/


লেবেলসমূহ:

বাংলাদেশের ফুটবলে সমস্যা কোথায়?


সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল এখন বাংলাদেশের ফুটবলারদের কাছে যেন সোনার হরিণ৷ গত সাত সাফের একটিতেও ফাইনালে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ৷

    
default

যে নেপাল, ভুটান কিংবা মালদ্বীপকে একসময় গুনে গুনে গোল দিত, তারাই এখন বাংলাদেশের কাছে অপ্রতিরোধ্য৷

কিন্তু কী কারণে প্রতিবেশী দেশগুলোর চেয়ে পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ? এটা কি ফুটবলারদের সমস্যা? নাকি ফুটবল ফেডারেশন আর ক্লাবগুলোর? এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেছে ডয়চে ভেলে৷

শিক্ষিত ফুটবলারের অভাব

বাংলাদেশের একমাত্র উয়েফা প্রো লাইসেন্সধারী কোচ মারুফুল হক প্রায়ই বলেন, দেশে শিক্ষিত ফুটবলারের বড্ড অভাব৷ শিক্ষিত বলতে তিনি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করার কথা বলেননি৷ আধুনিক ফুটবল শিক্ষা না থাকার বিষয়টিকে বুঝিয়েছেন৷

আসলেও তাই৷ ছোটবেলা থেকে আধুনিক ফুটবল জ্ঞান নিয়ে বেড়ে উঠেছে এমন ফুটবলার দেশে নেই বললেই চলে৷ না থাকাটাই স্বাভাবিক৷ কারণ স্বাধীনতার এতো বছর পরও দেশে একটা সাধারণ মানের একাডেমি গড়ে তুলতে পারেনি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন৷ দু'বার চেষ্টা করেছিলো, কিন্তু পরিকল্পনা না থাকায় দুটোই বছর ঘুরতে না ঘুরতে বন্ধ হয়ে যায়৷

এরমধ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাছ থেকে লিজ নিয়ে অনেক জাঁকজমকভাবে সিলেট বিকেএসপিকে ২০১১ সালে একাডেমি হিসেবে চালু করে বাফুফে৷ ফিফার কাছ থেকে টাকাও পায়৷ অথচ সেই টাকার অভাব দেখিয়ে সেটা বন্ধও করে দেয় বাফুফে৷

এরপর ফর্টিজ গ্রুপের সহযোগিতায় ঢাকার বেরাইদে দ্বিতীয় দফায় একটি একাডেমি করার ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন৷ কিন্তু কী এক অজানা কারণে সেই প্রকল্প আলোর মুখ দেখেনি৷

Malediven | SAFF Fußball Meisterschaften, Team Bangladesch

অথচ অনেক আগেই দেশে একাধিক একাডেমি গড়ে তোলা উচিত ছিলো বলে মনে করেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক জাহিদ হাসান এমিলি৷ তিনি বলেন, একাডেমি গড়তে না পারলে, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে বিকেএসপিগুলোতে ভালো মানের কোচ দিয়ে বাছাই করা প্রতিভাবান কিশোর ফুটবলারদের গড়ে তোলার ব্যবস্থা করতে পারে বাফুফে৷

অথচ বাংলাদেশের পাশ্ববর্তী দেশ ভারত, নেপাল কিংবা ভুটানের রয়েছে একাধিক ভালো মানের একাডেমি৷ সেসবের সুবিধা যে তারা হাতেনাতে পাচ্ছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের সঙ্গে এই দেশগুলোর ফলাফল তার প্রমাণ৷ সঙ্গে ফিফা ব়্যাংকিংতো আছেই৷

ফুটবলার উঠে আসার পথ সংকীর্ণ

একদিকে স্বীকৃত একাডেমি না থাকা, অন্যদিকে তরুণ ফুটবলার উঠে আসার যে কয়টি পথ দীর্ঘদিন চালু ছিল, সেগুলো প্রশস্ত তো হয়ইনি, উলটো আরও সংকীর্ণ হয়েছে৷ ফুটবলার তৈরির সূতিকাগারখ্যাত পাইওনিয়ার ফুটবল লিগ একেবারে অনিয়মিত৷ এই প্রতিযোগিতার সর্বশেষ আসর হয়েছে দুই বছর আগে, ২০১৯ সালে৷ অথচ এই পাইওনিয়ার ফুটবল লিগে অংশ নেয় ৭০ থেকে ৮০টি ক্লাবের প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার ক্ষুদে ফুটবলার, যারা ধাপে ধাপে উঠে আসে প্রিমিয়ার লিগে৷ পাইওনিয়ার লিগের মতো বাধ্যতামূলক টুর্নামেন্ট নিয়মিত না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন দীর্ঘদিন এই প্রতিযোগিতায় কোচ হিসেবে কাজ করা কামাল বাবু৷

আর ঢাকার বাইরের জেলা কিংবা বিভাগীয় ফুটবল লিগের অবস্থা আরও করুণ৷ সংশ্লিষ্ট জেলার কর্তাদের মন চাইলেই কেবল মাঠে গড়ায় ফুটবল লিগ৷ এনিয়ে এবছর মার্চে বেশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন বাফুফে সভাপতি৷ লিগ নিয়মিত করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট জেলার বরাদ্দ বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণাও দিয়েছিলেন৷ কিন্তু শেষপর্যন্ত সেটা ঘোষণাতেই আছে৷ আগের মতোই চলছে ঢাকার বাইরের ফুটবল৷ দু'একটি জেলায় শুরু হলেও, সেগুলোকে লিগ বলা রীতিমতো অন্যায়৷ কারণ কোনো রকমে দুচারটি দল গড়ে অনেকটা পিকনিক মুডে শেষ করা হয় খেলাগুলো৷

স্পন্সর থাকার পরও ২০১৩ এবং ২০১৪ সালে সর্বাধিক ৪৫টি জেলায় হয়েছিল ফুটবল লিগ৷ এরপর ২০১৫, ২০১৬ ও ২০১৭ সালে দেশের কোনো জেলাতেই ফুটবল হয়নি৷ তবে ব্যতিক্রম ছিলো ২০১৮ সাল৷ বাফুফে এবং সাইফ পাওয়ারটেক জেলাগুলোকে টাকা দেয়ায় সেবছর সর্বাধিক ৫২টি জেলায় হয়েছিলো ফুটবল লিগ৷ এরপর আবার ফিরেছে আগের রূপে৷ অর্থাৎ বেশিরভাগ জেলাতেই ঠিকমতো হচ্ছে না ফুটবল লিগ৷

Malediven | SAFF Fußball Meisterschaften, Team Bangladesch

এ নিয়ে জেলার ফুটবল কর্তাদের ওপর রীতিমতো ক্ষুদ্ধ খোদ বাফুফের কর্মকতারা৷ ঢাকা থেকে জেলা লিগগুলো তদারকি করেন ফুটবল ফেডারেশনের এক্সিকিউটিভ মোজ্জামেল হোসেন মিঠু৷ তিনি বলেন, ফেডারেশন থেকে টাকা নেওয়ার পরও লিগ বা টুর্নামেন্টের আয়োজন করে না এমন জেলার সংখ্যা অনেক৷ এরমধ্যে কক্সবাজার আর নারায়ণগঞ্জের কথা তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন৷ মিঠু বলেন, গত সাত বছরে কোন ফুটবল লিগ করেনি কক্সবাজার জেলা ফুটবল এসোসিয়েশন৷ 

নিয়মিত কোচ বদল

ফুটবল কোচের চাকরি সবসময়ই অনিশ্চয়তায় ভরা, এটা মোটামুটি সবারই জানা৷ তবে বাংলাদেশের মতো অনিশ্চয়তা বোধহয় পৃথিবীর কোনো দেশেই নেই৷ কারণ স্বাধীনতা পর থেকে এখন পর্যন্ত ৪৮ জন কোচ বদল করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন৷ আর কাজী মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের গত ১৩ বছরের শাসনামলে ২০ জন কোচ পরিবর্তন করেছে বাফুফে৷ এরমধ্যে সবচেয়ে ভাগ্যবান ইংল্যান্ডের জেমি ডে৷ ২০১৮ সালের মে থেকে এবছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন বছরের বেশি সময় কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি৷ এর বাইরে এক থেকে পাঁচ মাস করেছেন এমন কোচও আছেন বেশ কয়েকজন৷

অস্কার ব্রুজোন

সাফে বাংলাদেশের কোচ ছিলেন অস্কার ব্রুজোন (ডানে)৷ গত ১৩ বছরে কোচ বদল হয়েছে ২০ বার৷

গত ৫০ বছরে ইউরোপ, ল্যাটিন, স্প্যানিশ এবং এশিয়ান ঘরানার কোচের স্পর্শ পেয়েছে বাংলাদেশের ফুটবল৷ কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, কোনো কোচকেই সেভাবে সময় না দেয়ার কারণেই বাংলাদেশের খেলার ধরন তৈরি হয়নি বলে মনে করেন জাতীয় দলের সাবেক কোচ হাসানুজ্জান খান বাবলু৷ তিনি বলেন, এরফলে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কোচের কৌশলের পরীক্ষার শিকার হচ্ছেন দেশের ফুটবলাররা৷ উপমহাদেশের অন্যদেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়ার এটিও অন্যতম কারণ বলে জানান জাতীয় দলের অধিনায়ক বাবলু৷

মানসম্পন্ন মাঠের অভাব

বাংলাদেশের ফুটবলের প্রাণভমরা বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম৷ কিন্তু সেটাও কি আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন? উত্তর পুরোপুরি না৷ তারপরও এই একটি মাঠ প্রিমিয়ার লিগের ১৩টি ক্লাবের মধ্যে সাতটির হোম ভেন্যু৷ এই তথ্য থেকেই পরিষ্কার হয় বাংলাদেশে ফুটবল মাঠের সংকট কতোটা প্রকট৷ ভালো খেলোয়াড় তৈরির জন্য ভালো মানের কোচের পাশাপাশি ভালো মাঠের প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি বলে মনে করেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম৷ তিনি বলেন, ‘‘দেশের বাইরে খেলতে গেলে বুঝতে পারি আমরা কতটা খারাপ মাঠে ফুটবল খেলি৷’’ বিষয়টি ম্যাচেও প্রতিপক্ষের সঙ্গে পার্থক্য গড়ে দেয় বলে মনে করেন মামুনুল৷

ক্লাবগুলোর বয়সভিত্তিক দল না থাকা

খেলোয়াড় তৈরির পাইপ লাইন যদি হয় বয়এ বিষয়ে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের হেড কোচ হিসেবে কাজ করা সাইফুল বারী টিটু বলেন, এএফসির ভিশন এশিয়া প্রকল্প কাজে লাগিয়ে ক্লাবগুলোর জন্য বয়সভিত্তিক ফুটবল বাধ্যতামূলক করেছে ভারত৷ পরে ফ্র্যাঞ্চাইজি আসর আইএসএলের ক্লাবগুলোর জন্যও বয়স ভিত্তিক দল রাখা বাধ্যতামূলক করেছে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন৷ যার ফলাফল এখন পেতে শুরু করেছে ভারত৷ বিশেষ করে এবারের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতীয় পাঁচ থেকে ছয়জন আছেন যারা ক্লাবগুলোর বয়স ভিত্তিক দল থেকে উঠে এসেছেন৷

শিক্ষিত কোচের অভাব

গত দুতিন বছর মাঝে মাঝেই কোচেস কোর্স পরিচালনা করছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন৷ এটা অবশ্যই ভালো উদ্যোগ৷ কিন্তু এসব কোর্স করা কোচদের কতজন কাজ করছেন দেশের তৃণমূল ফুটবলের সঙ্গে, সেটা একটা গবেষণার বিষয়৷

তবে দেশে যে ভালো মানের কোচের অভাব তা স্পষ্ট হয় প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোর ডাগ আউটের দিকে তাকালে৷ ১৩টি ক্লাবের মধ্যে শুধুমাত্র পাঁচটি ক্লাবে আছেন স্থানীয় কোচ৷ বাকি সবাই আস্থা রাখছে বিদেশি কোচদের ওপর৷

কিন্তু এটা দেশের ফুটবলের জন্য ভালো ইঙ্গিত নয় বলে মনে করেন জাতীয় দলের সাবেক কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক৷ প্রয়োজনে বিশেষ প্রকল্প হাতে নিয়ে প্রতিটি জেলায় একজন বা একাধিক ভালো মানের কোচ নিয়োগের জন্য বাফুফেকে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি৷ যাদের কাজ হবে, জেলার প্রতিটি থানার খেলাগুলো পর্যবেক্ষণ করা এবং প্রতিভাবান ভালো খেলোয়াড় চোখে পড়লে তাদের জাতীয় পর্যায়ে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা৷ সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জেলার স্থানীয় কোচদের ভুলত্রুটি সংশোধন করে দেয়া৷সভিত্তিক প্রতিযোগিতা, তবে সেই জায়গাটাতে এখনও সেভাবে কাজই শুরু হয়নি বাংলাদেশের ফুটবলে৷ সাইফ স্পোর্টিং কিংবা বসুন্ধরা কিংস ছাড়া কোনো ক্লাবেরই বয়সভিত্তিক কোনো দল নেই৷ এমনকি আবাহনী-মোহামেডানের মতো ঐতিহ্যবাহী ক্লাব এই দিকটির গুরুত্বই অনুধাবন করতে পারেনি৷ অথচ ক্লাবের বয়স ভিত্তিক দল থাকলে লাভবান হয় নিজেরাই৷ কম খরচে গড়ে তোলা ফুটবলারকে নিজেদের সিনিয়র দলে খেলাতে পারেন অনায়াসে৷ যা করে থাকে, পৃথিবীর সব পেশাদার ক্লাব৷




শ্রীলঙ্কা সফরে বাংলাদেশের কোচ লেমোস

 

লেবেলসমূহ: , ,

মেসি পরবর্তী ক্লাসিকোয় পাদপ্রদীপে আসার সুযোগ ফাতি-ভিনিসিউসের

 

লেবেলসমূহ: