শুক্রবার, ১৮ মে, ২০১৮

ফরিদগঞ্জে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যে বাজার সয়লাব!

ফরিদগঞ্জে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যে বাজার সয়লাব!

ফরিদগঞ্জ উপজেলাব্যাপী প্রায় সব বাজারই মেয়াদোত্তীর্ণ কোমল পানীয়সহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রীতে সয়লাব। উপজেলা সদর থেকে শুরু করে আঞ্চলিক বাজারের অধিকাংশ কনফেকশনারী ও খাদ্যসামগ্রীর দোকানগুলোতে এ ধরনের মেয়াদোত্তীর্ণ কোমলপানীয় হরহামেশাই বিক্রি হয়ে থাকে। কোমলপানীয়ের বোতলে নির্দিষ্ট মেয়াদের লেখাটা অধিক ক্ষুদ্র হওয়াতে অনেক ক্রেতা তা সঠিকভাবে বুঝে নিতে পারে না। ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জানা গেছে, বিভিন্ন কারণে হাট-বাজারের দোকানগুলোতে বিক্রি আশানুরূপ না হওয়াতে কোমল পানীয় ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী জমে থাকে। পরবর্তীতে এ পণ্যগুলোর মেয়াদই উত্তীর্ণ হয়ে যায়। এছাড়া স্থায়ী-অস্থায়ী খাবারের হোটেলগুলোতে খোলামেলা খাবার পরিবেশন হয়ে থাকে। রমজানে ইফতারসামগ্রী ধূলোবালির উৎস রাস্তার দুই পাশে বিক্রির জন্যে পসরা সাজিয়ে রাখা হয়। মাহে রমজানকে ঘিরে কাঁচা পণ্য থেকে শুরু করে অন্যান্য খাদ্যসামগ্রীর মূল্য অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মাকসুদ খানসহ আরো ক'জন জানান, ফরিদগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে একাধিক খাবারের হোটেল রয়েছে, যেগুলোতে সম্পূর্ণ খোলামেলা খাবার পরিবেশন করা হয়ে থাকে। এছাড়াও মাহে রমজানে ইফতারসামগ্রী ধূলোবালির মধ্যে রাস্তার পাশেই পসরা সাজিয়ে রাখে স্থায়ী আর অস্থায়ী হোটেলগুলোতে। একদিকে পোড়া তেলে ভাজা অন্যদিকে ধূলোকণায় ঢেকে থাকা ভোগ্যসামগ্রীগুলোই ক্রেতারা বাধ্য হয়ে ক্রয় করে নিতে হয়। প্রশাসনিকভাবে মাঝে মধ্যে এ ধরনের খাবার পরিবেশনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আর বেআইনিভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিকারী ব্যবসায়ীদের ওপর অভিযান চালানো জরুরি।

ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম শিপন জানান, এসব মেয়াদোত্তীর্ণ পানীয় আর খোলামেলা পরিবেশে তৈরি খাবার খাদ্যনালীতে প্রবেশ করলে মানবদেহের ক্ষতি সাধন হয়ে থাকে। সব ধরনের খাবারই মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেলে খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। আর কোমল পানীয়তে সমস্যা আরো বেশি। পানীয় জাতীয় খাবার মেয়াদোত্তীর্ণ হলে এতে মানাবদেহের জন্যে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। এগুলো কেউ পান করলে ডায়রিয়া, কলেরাসহ দীর্ঘমেয়াদী গ্যাস্ট্রিক, আলসার হতে পারে। আর অনেক ক্ষেত্রে জুসজাতীয় পানীয় মেয়াদোত্তীর্ণ হলে ফরমালিনের মতো বিষক্রিয়া সৃষ্টি হয়। যা জনস্বাস্থ্যের জন্যে মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

ফরিদগঞ্জ বাজার কমিটির আহ্বায়ক মোঃ অহিদুর রহমান জানান, প্রশাসনিকভাবে যদি উপজেলা সদর থেকে শুরু করে প্রায় পরিচিত বাজারগুলোতে সফল অভিযান চালানো হয়, সেক্ষেত্রে এ ধরনের অনিয়ম আর ধোঁকাবাজি রোধ করা সম্ভব। মাঝে মধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও বিভিন্ন সমস্যাকেন্দ্রিক তদারকি করতে দেখা যায়। যখনই প্রশাসনিক লোকবল নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত চালানো হয় তখন ব্যবসায়ীরা একজন অন্যজনের নিকট থেকে খবর পেয়ে সজাগ হয়ে যান।

ফরিদগঞ্জ উপজেলা সদরস্থ ক'জন ব্যবসায়ীর কাছে জানা গেছে, উপজেলাব্যাপী অসংখ্য ফুড বেভারীজের দোকান রয়েছে। যেগুলোর প্রায় দোকানেই কিছু না কিছু মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য রয়েছে। এমনও প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা জানেও না মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার বিষয়টি। আর কেনইবা জানবে। সবেমাত্র কোম্পানী থেকে পণ্য তোলা হয়েছে। আর এ সময়ের মধ্যে যদি মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যায় সেক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা হতাশ হওয়া ছাড়া আর কী-ইবা করার আছে। কোনো কোনো কোম্পানী থেকে খুব সীমিত সময়ের জন্যে মেয়াদ দিয়ে থাকে। এছাড়াও কিছু ব্যক্তি রয়েছে ইচ্ছে করেই দোকানে অথবা নির্দিষ্ট স্থানে মেয়াদোত্তীর্ণ সামগ্রী লুকিয়ে রেখে বিক্রি করে। এটা গ্রহণযোগ্য নয়। আর ক্রেতাসাধারণ অনেক সময় তাড়াহুড়োর কারণে মেয়াদসংক্রান্ত বিষয়টির ওপর স্থির না থাকাতে এ বিষয়টি অজানাই থেকে যায়। মাঝে মধ্যে যখন ক্রেতাসাধারণের নিকট মেয়াদসংক্রান্ত বিষয় আলোচনায় আসে তখন এ বিষয়টি স্পষ্ট হয়।

কোমল পানীয়গুলোর মধ্যে বেশির ভাগ বিক্রি হয়ে থাকে স্পীড, কোকাকোলা, পেপ্সি, সেভেনআপ, ক্লেমন, মোজো এবং হরেক রকমের নামে পরিচিত মিষ্টি পানীয়। এছাড়াও শুকনো খাবারের মধ্যে চানাচুর, বিস্কুট, কপি, গুঁড়ো দুধের প্যাকেটসহ যেগুলোর স্বাদ আর স্মেল ক্রেতাদের পান করতে কৌতূহল জাগায়। তার সাথে বিক্রি করে থাকে কোল্ড ড্রিংঙ্ নামের বিভিন্ন ধরনের রঙিন পানীয়। দেশ-বিদেশ থেকে আহরণকৃত এ জাতীয় কোল্ড ড্রিংঙ্গুলোর চাহিদা স্থানীয় নেশা আসক্তকারীদের নিকট খুব বেশি। বিয়ারজাতীয় এ ধরনের পানীয়গুলো খুব গোপনে বিক্রি হয়ে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে প্রশাসনিক চাপমুক্ত থাকতে এ জাতীয় কোমল পানীয়গুলো দোকানের স্টলে শো করা হয় না। বছরের পর বছর সময় অতিক্রান্ত হয়ে যায় অযত্নে অবহেলায় অন্ধকারাচ্ছন্ন ঘরে জমে থাকা এ পানীয়গুলোর। আর সেগুলো পান করে দেহের মারত্মক ক্ষতি সাধিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এএইচএম মাহফুজুর রহমান বলেন, দিনের অধিকাংশ সময় পার হয়ে যায় উপজেলার নাগরিক সমস্যা দূরীকরণের ক্ষেত্রে। দীর্ঘ আয়তন নিয়ে গঠিত উপজেলার অনেক সমস্যা আমাদের কানে পেঁৗছায় না। ফরিদগঞ্জ উপজেলার যে কয়েক ধরনের অনিয়ম-অবিচার রয়েছে তার সবটাও যদি নির্মূল করা সম্ভব না হয়, তা সত্ত্বেও আমরা প্রশাসনিকভাবে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবো বেআইনী কাজ প্রতিরোধ করার। রমজানকে ঘিরে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করার এক ধরনের ধোঁকাবাজ ব্যবসায়ী রয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে খুব শীঘ্রই যথাযথ ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের প্রশাসনিক অভিযান সবসময়ের জন্যেই অব্যাহত। কোমল পানীয়ের সাথে যারা অবৈধ বিয়ারজাতীয় পণ্য বিক্রি করবে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ১০ মে, ২০১৮

আর্জেন্টাইন সমর্থককে রাশিয়া যেতে দেওয়া হবে না! কিন্তু কেনো?

®৪০০ আর্জেন্টাইন সমর্থককে এর মধ্যেই নিষিদ্ধের তালিকায় পাঠানো হয়েছে।
®সংখ্যাটা ৩ হাজার ছুঁতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
®এদের রাশিয়াতে যাওয়া আটকাতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্বকাপ শুরু হতে এখনো বাকি ৩৪ দিন বাকি। তবে দামামা মোটামুটি বেজে গেছে এরই মধ্যে । বিভিন্ন লিগ প্রায় শেষের দিকে। ফুটবলাররাও মনে মনে প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিশ্বকাপের। বিভিন্ন ফুটবল ফেডারেশনও আটঘাট বেঁধে নেমে গেছে। আর্জেন্টিনাকেই দেখুন, রাশিয়া বিশ্বকাপে মাঠে গন্ডগোল করার সম্ভাবনা আছে, এমন তিন হাজার সমর্থককে এখনই নিষিদ্ধ করে দিচ্ছে তারা!
আর্জেন্টাইন ফেডারেশন ঘোষণা দিয়েছে, বারা ব্রাভাস নামে একটা নির্দিষ্ট সমর্থকগোষ্ঠীকে ঠেকানোর জন্য এর মধ্যে রাশিয়ান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটা চুক্তি করছে তারা। দুই দেশের সরকার এ নিয়ে আগামী কিছুদিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক চুক্তি করবে বলে রয়টার্সকে জানিয়েছে আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশন। ফেডারেশনের নিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক গিয়ের্মো মাদেরোই সেটা নিশ্চিত করেছেন, ‘স্টেডিয়ামে ঢুকতে দেওয়া যাবে না এমন ৪০০ আর্জেন্টাইনের নাম দিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং যা ধারণা করছি, তাতে তিন হাজারের মতো দর্শকের নাম এখানে ঢুকবে।’ 
বারা ব্রাভাস গ্রুপ আর্জেন্টিনার স্থানীয় ফুটবলে কুখ্যাত। কারণ, স্থানীয় ফুটবলে কদিন পরপরই তুলকালাম বাধায় এরা। এদের অনেককেই স্থানীয় ফুটবলের স্টেডিয়ামগুলো থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এরা যেন রাশিয়ায় গিয়ে কোনো রকম ঝামেলা না বাধায়, সেটা নিশ্চিত করতেই আগেভাগে ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশন। 
মাঠে ঢুকতে দেওয়া ছাড়াও এদের রাশিয়ায় যাওয়াও ঠেকাতে চায় ফেডারেশন। এ জন্য এই তিন হাজার দর্শকের তথ্য বিভিন্ন এয়ারলাইনস এবং রাশিয়ার ইমিগ্রেশন অফিসকেও দেওয়া হবে। এ ছাড়া বিশ্বকাপের জন্য সৃষ্ট ফ্যান আইডিও কাজে লাগানো হবে এদের আটকানোর জন্য। এ ছাড়া তালিকার বাইরে থাকা অন্য সমর্থকেরাও যেন কোনো গন্ডগোলে জড়িয়ে না পড়েন, সেটা নিশ্চিত করতে ছয়জন নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে পাঠানো হচ্ছে রাশিয়ায়।

স্পেনে ফিরতে মরিয়া নেইমার!

বার্সেলোনা ছেড়ে ফ্রান্সে পাড়ি জমানোর কিছুদিন পর থেকেই ব্রাজিল সুপারস্টার নেইমারকে নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন শুরু হয়। তার মধ্যে বেশ কিছু খবর সঠিক হয়েছে।

যেমন সতীর্থ এডিনসন কাভানিসহ কোচিং স্টাফদের সঙ্গে নেইমারের বিবাদ। তখন থেকেই গুজব রটে, মৌসুম শেষেই নাকি আবারও স্পেনে পাড়ি জমাবেন বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার। সেক্ষেত্রে আলোচনার শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ। নেইমারের সাবেক ক্লাবটির চির প্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাবটির পক্ষ থেকে বিভিন্নসময় বিভিন্ন বক্তব্য দেওয়া হয়েছে নেইমারকে কেনার বিষয়ে। এখন শোনা যাচ্ছে, প্যারিসে নাকি মন বসাতে পারছেন না ব্রাজিল সুপারস্টার।

স্পেনের একটি গণমাধ্যম দাবি করেছে, ইতিমধ্যেই লা লিগার আঙিনায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন নেইমার। মাত্র একটি মৌসুম কাটিয়েছেন পিএসজিতে। চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন লিগ ওয়ানে। শিরোপার লড়াইয়ে মাঠে নামতে না পারলেও দল জিতেছে ফরাসি কাপ।

রিয়ালের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রি-কোয়ার্টার থেকে বিদায় নিতে হলেও পিএসজিতে প্রথম মৌসুম কাটিয়েছেন সাফল্যের সঙ্গে।  এত কিছুর পরেও নাকি নেইমারের মন পড়ে স্প্যানিশ লিগে। লা লিগায় অন্যরকম আনন্দ খুঁজে পেয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার রাতে গ্যালারিতে বসে পিএসজির ফরাসি কাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সাক্ষি থেকেছেন নেইমার। চোটের জন্য ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে মাঠের বাইরে থাকলেও সতীর্থদের উৎসাহিত করতে প্যারিসে ফিরেছেন তিনি। দলের সঙ্গে ফিটনেস ট্রেনিং শুরু করেলও বল পায়ে মাঠে নামেননি এখনও। যদিও ফরাসি কাপ জয়ের উৎসবে সামিল হয়েছিলেন নেইমার। উপস্থিত ছিলেন পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে। গলায় ঝুলিয়েছেন চ্যাম্পিয়নের পদক। ট্রফি হাতে সতীর্থদের সঙ্গে ছবিও তুলেছেন। দলের সঙ্গে একাত্ম হয়ে যাওয়া নেইমারকে দেখে বোঝার উপায় নেই যে, তিনি প্যারিস ছাড়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।

স্পেনে ফিরতে চাইলেও বার্সায় নয়, নেইমারের ইচ্ছা পূরণ করতে পারে রিয়াল মাদ্রিদ। স্পেনের রাজধানী শহরের বহুল প্রচলিত সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী নেইমারকে দলে নিতে আগ্রহী রিয়াল প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। এক দশক আগেই টিনএজার নেইমারকে দলে নিতে চেয়েছিলেন তিনি। সেবার ৬০ হাজার ইউরোর বেশি খরচ করতে রাজি না হওয়ায় হাতছাড়া হয় ব্রাজিলিয়ান তারকা। পরে বার্সা ও পিএসজিকে লিগ চ্যাম্পিয়ন করার পর টনক নড়ে পেরেজের।

তবে নেইমারকে দলে নিতে হলে বিশাল অর্থ ব্যয় করতে হবে রিয়ালকে। গত মৌসুমে ২০০ মিলিয়ন পাউন্ডে নেইমারকে দলে নেওয়া পিএসজি ব্রাজিলিয়ান তারকাকে বিক্রি করার জন্য ২২৮ মিলিয়ন পাউন্ড দাম হেঁকেছে। সুতরাং রিয়ালকে রেকর্ড পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে নেইমারকে দলে নিতে হবে। নেইমারকে মাদ্রিদে আনতে রিয়াল বিক্রি করে দিতে চাইছে গ্যারেথ বেলকে। বেল আগামী মৌসুমে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড অথবা টটেনহ্যামে যোগ দিতে পারেন।