বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭

জেনে কখন কিভাবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করবেন৷

আগামীকাল ২৪/০৮/১৭ইং তারিখ থেকে শুরু হবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি জেনে নিন ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য উত্তর A-z
-
প্রশ্নঃ ১৭-১৮ এর ভর্তি আবেদন কবে শুরু ?
উঃ ২৪ আগাস্ট এবং ২০ সেপ্টেম্বর শেষ
হবে ।
প্রশ্নঃ আবেদনটা কোথায় গিয়ে করতে
হবে ?
উঃ যে সকল দোকানে অনলাইন
সংক্রান্ত কাজ করা হয়।
প্রশ্নঃআবেদনের সময় কি কি লাগবে ?
উঃ এইচ এস সি এর রোল রেজিঃ পাশের সন
১কপি পার্সপোট সাইজ রংঙ্গিন ছবি,১টি
সচল ফোন নাম্বার।
প্রশ্নঃকতটি কলেজে চয়েজ দেয়া
যাবে ?
উঃ১টি।
প্রশ্নঃ কতটি সাবজেক্ট চয়েস দেয়া
যাবে ?
প্রশ্নঃ যে কয়টি আপনার সামনে
প্রদর্শিত হবে সব।চাইলে ১টি দিতে
পারেন।আপনার ইচ্ছা।
প্রশ্নঃ ফোন নাম্বার কেনো লাগবে ?
উঃ আপনাকে নোটিশ দেয়ার জন্য।
প্রশ্নঃ আবেদনটা অন্য কাউকে দিয়ে
করানো যাবে না ?
উঃ নিজ কাজ নিজে করা শ্রেয়।
প্রশ্নঃ আবেদনের সময় কতটাকা লাগতে
পারে ?
উঃ ৫০ থেকে ১০০।
প্রশ্নঃ আবেদনে যদি কোনো ভুল হয়
অথবা আমি মত পরির্বতন করি তাহলে কি
আবার নতুন করে আবেদন করা যাবে ?
উঃহ্যা যাবে।তবে ১বার।কিন্তু ফর্মটি
কলেজে জমা দিয়ে দিলে আর যাবে না।
প্রশ্নঃ আবেদনের সাথে সাথে অথবা
কতদিন পরে কলেজে জমা দিতে হবে ?
উঃ আপনার ইচ্ছা তবে ২১ সেপ্টেম্বরের
মধ্যে।
প্রশ্নঃআবেদন ফর্মটি জমা দিতে
নিজেকে যাইতে হবে ?
উঃহ্যা
প্রশ্নঃ ফর্মটি কোথায় জমা দিবো ?
উঃ যে কলেজটা চয়েজ দিছেন ঐটাতে।
প্রশ্নঃজমা দেয়ার সময় কি কি কাগজ
নিয়ে যাবো ?
উঃ ssc ও hsc এর রেজিঃ কার্ড ও
নম্বরপত্র (মার্কশীট) এর ফটো কপি এবং ২
বা ৪ কপি পাসর্পোট সাইজ ছবি।
প্রশ্নঃ কলেজেতো এখন মার্কশীট আসে
নাই অথবা তুলি নাই অথবা ssc এর
ফটোকপিটাও নাই। তাহলে কি করবো ?
উঃ অনলাইন থেকে মার্কশীট ডাউনলোড
করে ঐটা জমা দিলেও হবে।
প্রশ্নঃ কাগজগুলোর কত কপি করে জমা
দিতে হবে ?
উঃ ২ বা ৪ কপি করে।
প্রশ্নঃ কাগজ গুলা জমা দেয়ার সময় কি
কিছু করতে হবে ?
উঃ হ্যা...আবেদন পত্র দুটি অংশ থাকবে
।১টি কলেজের অপরটি স্টুডেন্টদের।দুটি
অংশ আপনার ছবি নিছে স্বাক্ষর ও
তারিখ দিতে হবে।যেদিন জমা দিবেন
সেদিনের তারিখ দিবেন।কলেজ আলাদা
ভাবে ফোন নাম্বার চাইলে উপরে
লিখতে হবে।
প্রশ্নঃ জমা দেয়ার পর কি কোনো
মেসেজ আসবে ?
উঃ হ্যা ১টি মেসেজ আসবে।
প্রশ্নঃ কত সময় বা দিনের মধ্যে মেসেজ
টা আসবে ?
উঃ ১ থেকে ৫ দিনের মধ্যে।
প্রশ্নঃ যদি মেসেজ না আসে ?
উঃ মেসেজ না আসলে দ্রুত স্বশরীরে
কলেজে উপস্থিত হয়ে যোগাযোগ করতে
হবে।
প্রশ্নঃ আবেদন গ্রহন হয়েছে তা সিওর
হওয়ার কোনো কি অন্য পথ আছে ?
মেসেজ গুলা ডিলিট হয়ে গেছে তাই
টেনশনে আছি।
উঃ হ্যা আছে।আপনার কাছে যে আবেদন
ফর্ম (কলেজে কাগজ জমা দিলে কলেজ
আপনাকে স্টুডেন্ট কপিটা ফেরত দিবে
এবং ঐটা আপনারে স্বযত্নে রাখতে হবে)
সময় টি আছে ওটাতে ১টি পিন ও
পাসোয়ার্ড আছে।ওটা দিয়ে জাবির
ওয়েব সাইটে লগ ইন করলে Status -লাল
রঙে Submit লেখা
থাকবে। আর কলেজ আবেদন গ্রহন
কররলে তা সবুজ রঙে Receive লেখা
হয়ে যাবে।
প্রশ্নঃ আবেদন কলেজে জমা দিতে
কতটাকা লাগবে?
উঃ ২৫০
প্রশ্নঃ ফর্মটা কলেজে জমা দিয়েছি
মেসেজ আসছে বা আসেনি এখন কি ওটা
বাতিল করা যাবে ?
উঃ না।
প্রশ্নঃ১ম মেরিটের রেজাল্ট কবে দিবে ?
উঃ টাইম হলে যেনে যাবেন।
প্রশ্নঃ আমার ১ম মেরিটে যদি চান্স না
হয় ?
উঃ আবার ২য় মেরিট দিবে।কবে দিবে
তাও সময় মত যানতে পারবেন।ক্লাশ শুরু
হয়েছে তাতে টেনশনের কিছু নাই।
প্রশ্নঃ১ম মেরিটে চান্স পেয়েছি বাট ঐ
সাবজেক্ট পছন্দ না । এখন কি হপে ?
উঃ শান্ত হন।১ম মেরিটে সুযোগ পেয়ে
আপনি যদি ভর্তি না হন তবে আবার
আপনার রেজাল্ট ২য় মেরিটে দিবে।এর
জন্য আপনাকে কিছুই করা লাগবে না।
প্রশ্নঃ আর যদি ২য় মেরিটেও সুযোগ
পেয়ে ভর্তি না হই তবে কি আমার
সিটটা থাকবে?
উঃতখন আপনাকে রিলিজ স্লিপ তুলতে
হবে।আর আপনার সিট থাকবে না।
প্রশ্নঃসুযোগ পাওয়ার পর কি করবো?
উঃ সুযোগ পাওয়ার পর আপনাকে ১টি ফর্ম
অনলাইন থেকে ডাউনলোড করত হবে।এই
ফর্মটিতে আপনার থানা,বাবার
নাম,মায়ের নাম,মোবাইল
নাম্বর ইত্যাদি কিছু তথ্য দিতে হবে।এবং
এটির ৩টি কপি নামাতে হবে।১টি বা
দুটি হবে কলেজ কপি এবং আর ১টি হবে
স্টুডেন্ট কপি।
প্রশ্নঃমাইগ্রেশন কি ভাবে করবো ?
উঃমাইগ্রেশন শুধু মাত্র ১ম ও ২য় মেরিটে
সুযোগ প্রাপ্তরাই করতে পারবে।সুযোগ
পাওয়ার পর যে ফর্মটি ডাউনলোড করতে
যাবেন তখন দোকানদারকে বলবেন যে
মাইগ্রেশন অপশনটা চালু রাখতে।
প্রশ্নঃমাইগ্রেশন করলে কোন সাবজেক্ট
পাবো বা কি নিয়ম এটার ?
উঃ ধরুন আপনি পাচটা বিষয় চয়েজ
করেছেন।এখন ৩ বা চার নাম্বারটা
পেয়েছেন।মাইগ্রেশ করলে আপনি ২ বা ১
নম্বরটা পাবেন।আর ১নংটাই যদি আসে
তবে আর মাইগ্রেশন হবে না।নিচ থেকে
উপরে যায়।উপর থেকে নিচে আসে না।
আর মাইগ্রেশন করলেই যে পাবেন এমনটা
না।এটা ভাগ্যের ব্যাপার।
প্রশ্নঃ ভর্তির সময় কি কি জমা দিতে
হবে ?
উঃ ssc ও hsc এর মূল মার্কশীট, মূল
রেজিঃ কার্ড,মূল প্রশংসা পত্র,২বা ৪বা
৬ কপি পাসর্পোট সাইজের ছবি,আবেদন
ফর্ম,ডাউনলোড ফর্ম।এগুলোর আবার
প্রত্যেকে ফটো কপি ২ বা ৪টি সেট।
(কলেজ ভেদে)
প্রশ্নঃ ছবি যদি ভিন্ন ভিন্ন অর্থ
আবেদনের সময় ১টা আর ভর্তির সময়
অন্যটা দিলে সমস্যা আছে ?
উঃ না।
প্রশ্নঃ ১ম ও ২য় মেরিটে চান্স পাইনি
এখন কি করবো ?
উঃ রিলিজ স্লিপ তুলবেন।
প্রশ্নঃ রিলিজ স্লিপ কি ? খায় নাকি
মাথায় দেয় ?
উঃযারা ১ম ও ২য় মেরেটি চান্স পায় না
বা পেয়েও ভর্তি হয়না তারা আবার
রিলিজ স্লিপে আবেদন করবে।
প্রশ্নঃ রিলিজে কয়টা কলেজ আবেদন
করা যাবে ?
উঃ ৫টা আপনার ইচ্ছা মত।এমনি
প্রাথমিক আবেদন যে কলেজে করেছেন
ওটাতেও।
প্রশ্নঃ কতটি সাবজেক্ট চয়েস দেয়া
যাবে ?
উঃ যে কয়টা প্রদর্শিত হবে সব। চাইলে
১টাও।
প্রশ্নঃরিলিজ স্লিপে আবেদনের সময়
কি কিছু লাগবে ?
উঃ না।আপনার প্রাথমিক আবেদন
ফর্মটাতে পিন ও রোল
দোকানদারকে দিবেন বাকিটা উনাদের
কাজ।
প্রশ্নঃ রিলিজ ফর্মটা কি আবার কলেজে
জমা দিতে হবে ?
উঃ না। কিছু করতে হবে না।বাসায় এনে
যত্ন করে রেখে দিবেন। আর কোন টাকাও
দেয়া লাগবে না কলেজে।
প্রশ্নঃ চান্স পেলে কি করবো ?
উঃ উপরের দেয়া আছে কি কি কাগজ
লাগবে।
প্রশ্নঃযদি ১ম রিলিজে ভর্তি না হই ?
উঃ তবে ২য় রিলিজে আবেদন করবেন ঠিক
১ম রিলিজে যেভাবে আবেদন করেছেন।
কিন্তু ২য় রিলিজে সিট খালি থাকা
সাপেক্ষে দিবে।আবার ৩য় রিলিজের
আশায় কেউ থাইকেন না।
প্রশ্নঃ রিলিজে সরকারি ও
বেসরকারিতে কেমন সিট ফাকা থাকে?
উঃ সরকারিতে ১০ ভাগের কম।বেসরকারি
মোটামুটি ফাকা থাকে।
প্রশ্নঃ রিলিজ ফর্ম টা ভুল বা মত
পরিবর্তন করি তাহলে নতুন আবেদন করতে
পারবো ?
উঃ হ্যা ।তবে মাত্র ১বার।
প্রশ্নঃ কিভাবে করবো ?
উঃ দোকানদারকে বললেই হবে।
যে সকল ওস্তাদি নিজ থেকে করবেন নাঃ
ফোন বা স্মার্ট ফোন থেকে আবেদন বা
রিলিজ ফর্ম পূরন করতে যাবেনা।ফোনে
সাবমিট করতে প্রচুর সময় লাগে সাথে
আপনারা এটা জানেন না।তাই
ওস্তাদি করতে গিয়ে আবার বিপদ
ডাকবেন না।
নিজ পিন ও রোল নিজ দ্বায়িত্বে
রাখুন।কাউকে এমন নিজ বন্ধুকেও বলবেন
বা দিবেন না।বিশ্বাস যোগ্য ছাড়া
কাউকে দিবেন না বিশেষ করে মেয়েরা।
বিশাল বড় ক্ষতি হতে পারে।ওটা যে কি তা আপনার ধারনা নাই।
আপনি যে দোকানে ফরম পূরন করবেন
অবশ্যই দোকানদারকে অভিজ্ঞ হতে হবে।
না হলে তো বুঝতেইছেন। রিলিজে
আবেদনের সময় দেখে নিবেন দোকানদার
লগ আউট করেছে কি না।
নিজ বিষয় নিজে সাজাবেন অন্যকে
করতে দিবেন না।.
.
(সংগৃহীত)

চাঁদপুরে নদীর পানি বিপদসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত

চাঁদপুর শহর ঘেষে বহমান পদ্মা-মেঘনা ও ডাকাতিয়ার নদীর পানি বিপদসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে নদীর পানি বেড়ে গিয়ে তীরবর্তী ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এভাবে পানি বাড়তে থাকলে আবারও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ উপচানোর আশংকা করছে তীরবর্তি বাসিন্দারা।

সোমবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা থেকে নদীতে পানি বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। চাঁদপুর শহর ও নদীর দু’তীরের বাসিন্দার মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, মেঘনা নদীর পানি ৬৭ সেন্টিমিটার বিপদ সিমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উত্তাল পদ্মা-মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীতে জোয়ারের তীব্রতা রয়েছে।

এদিকে চাঁদপুর শহরের এসবি খাল নদীর জোয়ারের পানির কারনে ছোট-খাট নদীতে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ড্রেনেজ দিয়ে জোয়ারের পানি রাস্তায় উঠে পড়ে। শহরের নাজির পাড়া, বিষ্ণুদী মাদ্রাসা রোড, রহমতপুর কলোনী, বঙ্গবন্ধু সড়ক, কোড়লিয়া, মাঝিবাড়ি রোড, পুরাণবাজারের পূর্ব শ্ররামদী, পশ্চিম বাজার, হরিসভা, রণাগোয়াল, দোকানঘর, রঘুনাথপুরসহ শহরের নিমাঞ্চলগুলো জোয়ারের পানি প্লাবিত হয়েছে।

অপরদিকে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ফসলি জমির সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। গ্রামাঞ্চলের খালের পাশের অনেক উচু স্থানে সোমবার পানি উঠে। এমে করে পটল, ঢেড়স, পুঁইশাক, ডাটা, করলাসহ বিভিন্ন প্রকারের সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া উত্তাল মেঘানার ভাঙনে চরাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

সদর উপজেলার তরপুরচন্ডী, আনন্দবাজার, দাসাদী, সফরমালী, বিষ্ণুপুরসহ বিভিন্ন নদী তীর বর্তী রাস্তাগুলোতে নদীর পানি উঠে পড়ে। এর মধ্যে সবজির মৌসুম শেষ না হতেই এসব সবজি ক্ষেতে পানি ঢুকে পড়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। বৃষ্টি ও নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধিতে সবজির ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় এর প্রভাব কাঁচা বাজারে পড়বে বলে আশংঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

সদর উপজেলার কল্যাণপুর ইউনিয়নের কৃষকরা জানান, বাণিজ্যিকভাবে সবজি চাষে পুজি বিনিয়োগ করে লাভ তো দূরের কথা আসলটাই ঘরে তুলতে পারলাম না। লাল শাক, পুইশাকতো গেছে, কিছু উচু যায়গায় ঢেঁড়স লাগিয়েছি তাতে জোয়ারের পানি উঠে পড়েছে। ক্ষেতে একবার পানি উঠলে সে ক্ষেতের ফসল সাধারণত টেকানো যায় না।

প্রতিবেদক- শরীফুল ইসলাম 

বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭

চাঁদপুর সরকারি হাসপাতাল চিকিৎসকদেরকে ডা. দীপু মনির সতর্কতা

চাঁদপুরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা.দীপু মনি এমপি বলেছেন, আমার কাছে অভিযোগ আছে, যে হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক নিজেই দেরীতে আসেন। সেই হাসপাতালে চিকিৎসকরাতো দেরীতে আসবেই। চিকিৎসকরা নিজের চেম্বারে রোগী দেখে এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত কাজ শেষ করে ১১ টা থেকে সাড়ে ১১ টায়ও হাসপাতালে আসেন।

সোমবার (২১ আগস্ট) বিকেলে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকদের সাথে মত বিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আপনারা হাসপাতালে আসার কথা সকাল সাড়ে ৮টায়। আপনাদেরকে আগামী ১ মাস সময় দিলাম। যদি আপনারা নিজেদের পরিবর্তন না করেন। তাহলে আমি হাসপাতালে ডিজিটাল মেশিন বসাতে বাধ্য হব। এই মেশিনের মাধ্যমে আপনাদের সময় মত উপস্থিতি জানা যাবে।

এমপি বলেন, আজ আমি অনেক কঠিন কথা বলেছি। তার কারণ আমি একজন চিকিৎসক হয়ে সঠিক সেবা প্রদান করতে পারছি না। একটু চিন্তা করে দেখেন জনগণের ট্যাক্সের টাকায় আপনারা বেতন নিচ্ছেন। তাদের সেবা দেওয়ার জন্যই সরকার এখানে আপনাদের নিয়োগ দিয়েছে। আপনারা কোনো কাজই করেন না, তা নয়। অনেকে করেন। আবার অনেকে কারো অর্ধেক কাজটুকুও করেন না। বিষয়টি এখন আমার পর্যায়ে রয়েছে। যদি জনগণের পর্যায়ে চলে যায় তাহলে কঠিন সম্মূখীন হতে হবে।

ডা. দীপু মনি আরো বলেন, সরকারি হাসপাতালে রোগীদের চাপ থাকবেই। কিন্তু রোগীদের যথাযথ সেবা প্রদান করতে হবে। হাসপাতালের যারা দায়িত্বে রয়েছেন তাদের অবহেলায় রোগীদের ভোগান্তি সহ্য করা হবে না।

তিন বলেন, এই হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা যথাযথ না হলে আমি আরোও কঠোর হব। কারণ এখানে যারা চিকিৎসা নিতে আসেন তারা আমাকে ভোট দিয়েছেন। নির্বাচিত করেছেন। আর তারা আপনাদের অবহেলায় সঠিক সেবা পাবে না তা আমি কখনো মেনে নেব না।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. প্রদীপ কুমার দত্তের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা সির্ভিল সার্জন ডা. মতিউর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইলিয়াস, জেলা বিএম এর সভাপতি ডা. নূরুল হুদা, সাধারণ সম্পাদক ডা. মাহমুদুন নবী মাসুম, কাউন্সিলর ফরিদা ইলিয়াস, অ্যাড. সাইফুদ্দিন বাবু।

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাসুদ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শামছুল হক মন্টু পাটওয়ারী, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. সালেহ আহমেদ, সিরাজুম মুনির, গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা ফাতেমা বেগম, কার্ডিলোজিস্ট ডা. জাহাঙ্গীর আলম, ডা. মুনতাকিম হায়দার, সার্জারী কনসালটেন্ট ডা. মনিরুল ইসলাম, হাসানুর রহমান, অর্থোপেডিক ডা. শাহদাত হোসেনসহ অন্যান্যরা উপস্থি ছিলেন।

সভায় চিকিৎসকরা ডা. দীপু মনি এমপি কে সময়মত হাসপাতালে আসার প্রতিশ্রুতি দেন। এর আগে ডা. দীপু মনি এমপি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।