রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

20 Lessons From Atomic Habits

 20 Lessons From Atomic Habits

1. Success is an aggregation of small wins.

2. First, we make our habits, then our habits make us.

3. Consistency beats intensity.

4. Eliminate friction for good habits.

5. Master the art of habit tracking.

6. Optimize your work environment.

7. Good habits take time to form.

8. Choose your social circle carefully.

9. Don't fumble hard-earned progress.

10. Make the path of least resistance.

11. Find an accountability partner.

12. Fall in love with the process.

13. Winners and losers have the same goals.

14. Success is a lifestyle, not an event.

15. Talk is cheap; you are your actions.

16. Good habits take a long time to build.

17. Your identity is your future.

18. Results are a lagging indicator of habits.

19. Trajectory is more important than the current position.

20. You do not rise to the level of your goals. You fall to the level of your systems.

Thank you for reading

বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

ধর্মঘটে যেতে রাজি বার্সেলোনার কুন্দে

দিন যত যাচ্ছে, ততই ম্যাচসংখ্যা বাড়ছে। আগের তুলনায় ইউরোপিয়ান ফুটবলারদের এখন অধিক ম্যাচ খেলতে হচ্ছে। ব্যাপারটি নিয়ে বিগত কয়েক মৌসুম ধরেই সোচ্চার ফুটবলাররা। ম্যানচেস্টার সিটির রদ্রি কদিন আগে ধর্মঘটে যাওয়ার কথা বলেছিলেন।

বার্সার হয়ে আজ মোনাকোর বিপক্ষে খেলতে নামবেন কুন্দে। ছবি: রয়টার্স
বার্সার হয়ে আজ মোনাকোর বিপক্ষে খেলতে নামবেন কুন্দে। ছবি: রয়টার্স

নতুন ফরম্যাটের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপপর্বে প্রতিটি দলকে ২টি করে বেশি ম্যাচ খেলতে হচ্ছে। কারো কারো জন্য আছে প্লে-অফ ঝক্কিও। জয় পেলেই ম্যাচসংখ্যা বাড়ছে। ঘরোয়া লিগসহ অন্য প্রতিযোগিতা তো আছেই, খেলতে হয় জাতীয় দলের হয়েও। এত বেশি ম্যাচ খেলতে খেলতে ক্লান্ত ফুটবলাররা। এর বিহিত চান অনেকেই। ধীরে ধীরে আওয়াজও উঠছে; শুরুতে বড়সড় পরিসরে প্রতিবাদ করেছিলেন রদ্রি।




ম্যানচেস্টার সিটির এই মিডফিল্ডার বলেছিলেন, ‘আমি মনে করি আমরা (ধর্মঘটে যাওয়ার) কাছাকাছি আছি। এটা বোঝা সহজ, যেকোনো খেলোয়াড়কে জিজ্ঞেস করুন, সবাই একই কথা বলবে। আর যদি এভাবেই চলতে থাকে, একটা সময় এমন মুহূর্ত আসবে যখন আমাদের আর কোনো বিকল্প থাকবে না। তবে দেখা যাক, কী হয়।’

রদ্রির কথার সঙ্গে সুর মেলালেন বার্সেলোনার জুলস কুন্দে। কাতালান জায়ান্টরা গত রোববার খেলেছে জিরোনার বিপক্ষে, আগামী রোববার আবার ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে মাঠে নামতে হবে তাদের। মাঝে আজ বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তাদের প্রতিপক্ষ মোনাকো। এ ম্যাচের আগে ধর্মঘটে যাওয়ার কথা বলেন কুন্দে।



রদ্রির সঙ্গে সহমত জানিয়ে ফরাসি ফুটবলার বলেন, ‘রদ্রি যা বলেছে, আমি তার সঙ্গে একমত। এটা আমরা অনেক দিন যাবত বলছি, কেউ মনযোগ দিচ্ছে না। না প্লেয়াররা শুনছে, না কোচেরা। এমন একটা সময় আসবে যখন আমাদের ধর্মঘট করতে হবে। কারণ তখন এটাই হবে একমাত্র পথ।’

বেশি বেশি ম্যাচ থাকার কারণে ফুটবলারদের মাঠেই বেশি সময় দিতে হচ্ছে। কমছে ছুটি ও বিনোদনের সময়। ফলে বাড়ছে ইনজুরি। কুন্দে বলেন, ‘আমরা বেশি বেশি রিস্ক নিচ্ছি। ছুটি কম বলে ইনজুরি হচ্ছে বেশি। ক্লাব বিশ্বকাপসহ আমাদের এখন প্রতি মৌসুমে ৭০টি করে ম্যাচ খেলতে হবে। এটা পাগলাটে ব্যাপার।’

চলে গেলেন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের বিমল কর


স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের খেলোয়াড় বিমল কর মারা গেছেন। দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কেন্দ্রীয় সামরিক হাসপাতালে ৮৭ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সক্রিয় সদস্য হিসেবে বিমল কর ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ফুটবল খেলে মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন। ১৯৩৭ সালের ৯ জুন ফেনী জেলার পরশুরাম গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, তিন মেয়ে ও ছয় নাতি নাতনিসহ অসংখ্য বন্ধুবান্ধব রেখে গেছেন।

বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) মাঠে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে। এরপর শ্রী শ্রী বরদেশ্বরী মহা-শ্মশানে আনুমানিক বিকাল ৫টায় বিমল করের শবদেহের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলে যোগ দেয়ার আগে ঢাকায় আজাদ স্পোর্টিংয়ের হয়ে খেলেছেন। স্বাধীনতার পর ভিক্টোরিয়া ও ওয়ান্ডারার্সের হয়ে কিছুদিন খেলার পর ফিরে যান নিজের শহর চট্টগ্রামে। জীবনের প্রায় পুরোটা সময় কাটিয়েছেন সেখানেই। দেশ স্বাধীনের পর ঢাকার আজাদ স্পোর্টিং, ভিক্টোরিয়া, মোহামেডান, পিডিবি, রেলওয়ে, কাস্টমস এবং চট্টগ্রামের প্রথম সারির বিভিন্ন দলে ফুটবল খেলেন।

উল্লেখ্য, নোয়াখালী ও ফেনী জেলার হয়ে বিভিন্ন টুর্নামেন্টে সুনামের সঙ্গে তিনি ফুটবল খেলেছেন। চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার অধীনে এবং বাফুফের প্রথম সারির ফুটবল রেফারি হিসেবে বহু বছর দায়িত্ব পালন করেন।

/এমএইচআর

বই রাখার আলমারি না থাকলে, কিভাবে বইয়ের যত্ন নেওয়া সম্ভব?

 

বই রাখার আলমারি না থাকলে, কিভাবে বইয়ের যত্ন নেওয়া সম্ভব?

এই প্রশ্নের উত্তর অনেকেই অনেক সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন।

তাই উত্তরটাকে নানান প্রসঙ্গের মাধ্যমে বিশ্লেষণ না করে, আমার মন থেকে ছোট করে উত্তর দিলাম।

যা হইতো সকল উত্তরে থেকে কিছুটা আলাদা!

• যত্ন করার প্রথম ধাপ হলো, "ভালোবাসা"।

বইয়ের প্রতি আপনার অগাধ ভালোবাসা থাকলে, তা এমনিতেই যত্নে থাকবে। বই রাখার আলমারি নেই তো কি হয়েছে; তার প্রতি যদি আপনার অশেষ ভালোবাসা থাকে, তবে তাকে আপনি যত্নে রাখতে পারবেন।

আর তাকে ভালোবেসে পড়তে হবে। পড়ার বিকল্প কিছু নেই, তাই যদি আপনি প্রতিদিন বই পড়েন তবে এমনিতেই যত্নে থাকবে।

যেমন করে আমরা প্রিয় মানুষদের অবহেলা করতে পারি না, কিছু না থাকলেও বা না জানলেও তাদের যত্ন করতে পারি। তেমনিভাবে বই যদি আপনার প্রিয় হয়ে থাকে, তবে তা আপনি যত্নে রাখতে পারবেন।

অনেকের বই আছে, এই লকডাউনের মাঝে তার উপর ধুলোবালির আচ্ছাদন পরেছে; তা অনেক যত্নে আলমারিতে গুছিয়ে রাখার পরেও।

যদি বইয়ের প্রতি ভালোবাসা থাকত, তবে তা এমনিতেই যত্নে থাকত।

• দ্বিতীয় ধাপে আপনি বইগুলো আপনার পড়ার টেবিলের কোণে বা জানালার পাশে রাখলে; তার উপর একটা পাতলা কাপড় দিয়ে রাখুন। তাতে করে জানালা বা বাসার ময়লা তার উপর পড়বে না। প্রতিদিন তার দেখভাল করুন আর পড়ুন। তাতে করে তা যত্নে থাকবে।

© মৃন্ময় আচার্য্য (Mrinmoy Acharjee)

** ধন্যবাদ!☺

মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

লেতা সেমোয়া — মাহবুবুর রহমান

 লেতা সেমোয়া — মাহবুবুর রহমান

বাংলাদেশে প্রকাশমান বইয়ের ধারায় 'লেতা সেমোয়া' গ্রন্থ হিসেবে বেশ ব্যতিক্রমী, সাথে সাথে গুরুত্বপূর্ণ ও বটে। 'লেতা সেমোয়া' ঠিক কোন জনরায় পড়ে তা বলা মুশকিল। একই সাথে গ্রন্থটি ফরাসি দেশ বিষয়ক প্রবন্ধসাহিত্য, ভ্রমণকাহিনী, ইতিহাস, শিল্পকলা পরিচিতি-সমালোচনা, রাজনৈতিক ভাষ্য, পপ-কালচার রেফারেন্স ইত্যাদির মিশেলে বাংলায় অভূতপূর্ব এক কাজ।

শিল্প-সভ্যতার ইতিহাসে ফরাসি মুলুকের অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 'এস্থেটিক' চর্চা করা যে কোন মানুষের পরম আগ্রহের বিষয় ফ্রান্স। যে কোন বাঙালি পাঠকের ফরাসি মুলুকের সামগ্রিক সুলুকসন্ধানের প্রথম ধাপ হতে পারে উক্ত গ্রন্থ। একখণ্ড ফ্রান্স পাঠকের টেবিলে সযত্নে তুলে আনার চেষ্টা করেছেন বইটির লেখক মাহবুবুর রহমান। তিনি তাঁর সমস্ত জ্ঞান-অভিজ্ঞান উক্ত বইতে মেলে ধরেছেন। ফরাসি দেশ নিয়ে লেখকের পঠনপাঠনের পরিধি বিশাল ও বিস্ময়কর। এমন হেন বিষয় নেই যা নিয়ে তিনি আলাপ উত্থাপন করেন নি।

মাহবুবুর রহমানের গদ্য বেশ সুপাঠ্য। পাঠককে নন-ফিকশন বই পড়িয়ে শেষ করতে পারাটা কঠিন কাজ। সেই কাজে লেখককে মোটামুটি সফল বলা যায়। বাংলা বইয়ের তুলনায় বইয়ের প্রোডাকশন কোয়ালিটি টপ নচ। বইতে প্রচুর রঙিন চিত্র রয়েছে। কেউ যদি বইটি না পড়ে শুধু দেখার উদ্দেশ্য কিনেন তাতেই পয়সা উসুল হয়ে যাবে তার।

এতসব প্রশংসার পরেও বইটির কিছু খামতির কথা না বললেই নয়। বইটি ঠিক সাধারণ পাঠকের মনঃপুত হবার নয়। কারন মাহবুবুর রহমানের গদ্য সুপাঠ্য হলেও তাতে হিউমারের অভাব রয়েছে ফলে একটানা পড়তে থাকলে খানিকটা বিরক্তি আসাটা স্বাভাবিক। তাই একদিনে বইয়ের একটা করে চ্যাপ্টার পড়া ভালো। ফিকশনের মতো একাধারে আসলে নন-ফিকশন বই পড়াও যায় না।

তাছাড়া লেখক ধরেই নিয়েছেন যে পাঠক ফরাসি দেশের যে কোন আলোচনাদি শুনতে আগ্রহী। তিনি আভ্যন্তরীণ এমনসব ইতিহাসদি নিয়ে লম্বা আলোচনা করেছেন যা আম পাঠকের রিলেভেন্সি ধরে রাখতে অক্ষম। বইটি আসলে কালেক্টর'স পিস হিসেবে অত্যন্ত যুতসই। এরকম আরো গ্রন্থাদি বাংলায় লেখা জরুরী। সম্ভবত মাহবুবুর রইমান ই হয়তো লিখবেন ভবিষ্যতে।

বইটি বাতিঘর, পাঠক সমাবেশ, দ্য রিডিং ক্যাফে এবং রকমারি থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। ওপার বাংলার কেউ সংগ্রহ করতে চাইলে আমাকে জানায়েন।