সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫

রাজধানীর ফুটপাত দখলে নার্সারি: চরম ভোগান্তিতে পথচারী, নেপথ্যে রাজনৈতিক মদদ!

ঢাকা:

ঢাকার জনগুরুত্বপূর্ণ ফুটপাতগুলো এখন ভাসমান নার্সারি ব্যবসায়ীদের দখলে। ফকিরাপুল, ধানমন্ডি, দোয়েল চত্বরসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এই অবৈধ দখলের কারণে পথচারীরা বাধ্য হচ্ছেন মূল সড়কে হাঁটতে, যা প্রতিনিয়ত বাড়াচ্ছে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি।




পথচারীদের দুর্ভোগ চরমে

বিভিন্ন প্রজাতির গাছ, টব ও আনুষাঙ্গিক জিনিসপত্রের নিচে ফুটপাতের প্রায় অর্ধেক অংশ হারিয়ে গেছে। ফলে এক বা দুজন পথচারীও একসাথে হাঁটার সুযোগ পাচ্ছেন না, তাদের নেমে আসতে হচ্ছে মূল সড়কে। সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, মেয়র বা প্রশাসন পরিবর্তন হলেও এই ভোগান্তির কোনো পরিবর্তন হয় না।

রাজনৈতিক মদদ ও দুর্নীতির অভিযোগ

দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ ব্যবসা চলার পেছনে রয়েছে স্থানীয় রাজনৈতিক মদদ এবং প্রশাসনের গাফিলতি। ক্যামেরার আড়ালে ব্যবসায়ীরা স্বীকার করেন যে, স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতাদের ছত্রছায়ায় তাদের এই কার্যক্রম চলছে। এমনকি রাতের বেলায় বাতি জ্বালানোর জন্য অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের ক্ষেত্রে কিছু অসাধু বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাকে বাড়তি অর্থ দিতে হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সিটি কর্পোরেশনের অস্পষ্ট আশ্বাস

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) কর্তৃপক্ষের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তারা ফুটপাত ইজারা দেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। তবে তারা কেবল ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাঝে মাঝে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনার অস্পষ্ট আশ্বাস দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বছরের পর বছর ধরে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে না পারাটা স্পষ্টতই প্রশাসনের ব্যর্থতা।

স্থায়ী সমাধানের পথে নগর পরিকল্পনাবিদরা


নগর পরিকল্পনাবিদরা এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য সমন্বিত পদক্ষেপের ওপর জোর দিয়েছেন। তাদের পরামর্শ হলো, যেহেতু নার্সারি সবুজায়ন ও পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তাই ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের জন্য মাস্টার প্ল্যানের অংশ হিসেবে অথবা খালের পাড়ের মতো নির্দিষ্ট বিকল্প জায়গা নির্ধারণ করে দেওয়া উচিত।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করে নার্সারি ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন এবং ফুটপাত দখলমুক্ত না করা হলে, রাজধানীতে পথচারীদের ভোগান্তি চলতেই থাকবে।





মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৫

🔥 ১৫ বছর পর আবার সেই লড়াই: বার্সেলোনা বনাম ইন্টার মিলান – প্রতিশোধ না পুনরাবৃত্তি?

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে কিছু ম্যাচ কেবল ফলাফলের জন্য নয়, আবেগ, নাটকীয়তা আর প্রেক্ষাপটের কারণে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকে।
২০০৯-১০ মৌসুমের সেমিফাইনালে বার্সেলোনা বনাম ইন্টার মিলানের দ্বৈরথ ছিল ঠিক তেমনই এক নাটকীয় অধ্যায়।





তৎকালীন বার্সা কোচ গার্দিওলার টিকি-টাকা দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল ইউরোপিয়ান ফুটবলে। অন্যদিকে, জোসে মরিনহোর রক্ষণভিত্তিক অথচ কার্যকরী কৌশল ফুটবলবিশ্বে নতুন বার্তা দিচ্ছিল।
প্রথম লেগে সান সিরোতে ইন্টার ৩-১ গোলে জয় পায়। দ্বিতীয় লেগে ক্যাম্প ন্যুতে বার্সেলোনা ১-০ ব্যবধানে জিতলেও অ্যাগ্রিগেট স্কোরে ৩-২ গোলে এগিয়ে থেকে ফাইনালে যায় ইন্টার।
সেই মৌসুমেই তারা জেতে ইউরোপের শ্রেষ্ঠ মুকুট—চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা।





আজ, ১৫ বছর পর, দুই সাবেক চ্যাম্পিয়ন আবার মুখোমুখি চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে।
বার্সেলোনার কাছে এ ম্যাচ প্রতিশোধের, আর ইন্টারের কাছে—সেই মধুর স্মৃতি পুনরাবৃত্তির সুযোগ।





🕘 ম্যাচের সময় (বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী):

📅 তারিখ: আজ রাত (৩০ এপ্রিল, ২০২৫)
🕒 সময়: রাত ১:০০টা


📺 কোথায় দেখা যাবে ম্যাচটি?

✅ টিভি চ্যানেল: Sony Sports Network (Sony Ten 2 HD)
✅ অনলাইন স্ট্রিমিং:

  • SonyLIV অ্যাপ

  • JioTV

  • অথবা VPN ব্যবহার করে TNT Sports / Paramount+ (বিদেশি ভিউয়ারদের জন্য)




📝 শেষ কথা

ফুটবল শুধু গোল নয়, গল্পও।
এই ম্যাচ হয়তো কাউকে নতুন নায়ক বানাবে, কাউকে দেবে পুরোনো জয়ের স্বাদ, আর কারও কাছে—পুরাতন হারের ঘা মুছে দেওয়ার সুযোগ।
বার্সা কি পারবে প্রতিশোধ নিতে? নাকি ইন্টার আবার সেই ট্র্যাজেডি ফিরিয়ে আনবে কাতালানদের জন্য?

দেখা হবে রাতে! ⚽🔥



বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২০১৩-২০১৫ সালের আন্দোলন: একটি ইতিবাচক মূল্যায়ন!

 

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২০১৩-২০১৫ সালের আন্দোলন: একটি ইতিবাচক মূল্যায়ন





ভূমিকা:

২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সময়কালটি বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়কালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশব্যাপী জনসচেতনতা বৃদ্ধি, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। এই ডকুমেন্টারিতে দলটির ইতিবাচক ভূমিকা ও অবদান বিশ্লেষণ করা হয়েছে।


অধ্যায় ১: ২০১৩ সালের আন্দোলন

১.১ ন্যায়বিচারের আহ্বান: জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ বিচার প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখার আহ্বান জানান। তারা শান্তিপূর্ণভাবে মতপ্রকাশের অধিকার চর্চা করেন এবং রাজনৈতিক স্বচ্ছতার জন্য জনমত গঠনের চেষ্টা করেন।

১.২ গণসংযোগ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম:

  • শান্তিপূর্ণ মিছিল ও সমাবেশ

  • দলীয় কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি

  • ছাত্র ও যুব সমাজকে নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করা


অধ্যায় ২: ২০১৪ সালের রাজনৈতিক প্রচেষ্টা

২.১ নির্বাচনী সংস্কারের দাবি: জামায়াতে ইসলামী সেই সময় নির্বাচন প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি তোলে।

২.২ গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় অবদান:




  • শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি

  • গণমাধ্যমে মতামত প্রকাশ

  • সংবিধান সম্মত সংস্কারের প্রস্তাব


অধ্যায় ৩: ২০১৫ সালের সাংগঠনিক উন্নয়ন

৩.১ সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম: জামায়াতে ইসলামী মানবিক সহায়তা, শিক্ষা প্রসার এবং যুব উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।

৩.২ নেতৃত্বের প্রশিক্ষণ ও বিকাশ:

  • তরুণ নেতৃত্ব গঠনে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

  • সামাজিক ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান

  • সাংগঠনিক ঐক্য সুসংহত করা


অধ্যায় ৪: আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও কূটনীতি

৪.১ আন্তর্জাতিক মহলে সম্পর্ক স্থাপন: জামায়াতে ইসলামী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইসলামিক সংস্থার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে এবং মুসলিম বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরে।

৪.২ মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান: তারা বিশ্বমঞ্চে মানবাধিকার ও রাজনৈতিক অধিকারের বিষয়ে প্রতিবাদ ও প্রচার চালায়।


অধ্যায় ৫: সমাজে ইতিবাচক প্রভাব

  • সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় অবদান

  • ধর্মীয় শিক্ষা ও চরিত্র গঠনে ভূমিকা

  • দারিদ্র্য বিমোচনে দাতব্য কর্মসূচি


উপসংহার:

২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী একটি গণতান্ত্রিক, ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল হিসেবে জনগণের অধিকার রক্ষায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ও সমাজে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক চর্চার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দলটি ভবিষ্যতেও দেশের কল্যাণে কাজ করার প্রতিশ্রুতি রেখে এগিয়ে চলছে।

বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৫

এল ক্লাসিকোর আগে দুঃসংবাদ পেল রিয়াল

আলাবা ও কামাভিঙ্গার চোটে রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তির দুশ্চিন্তা বাড়াই স্বাভাবিক
আলাবা ও কামাভিঙ্গার চোটে রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তির দুশ্চিন্তা বাড়াই স্বাভাবিকএএফপি

‘হেরমানো’ স্প্যানিশ শব্দ। বাংলায় এর অর্থ ভাই। ২০২৩ সালে ডেভিড আলাবাকে ভাই বলে ডেকে তাঁর সুস্থতা কামনা করে টুইট করেছিলেন এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা।

আলাবা চাইলে একই বার্তা এখন কামাভিঙ্গাকে ফিরিয়ে দিতে পারেন। কামাভিঙ্গাও আবার নতুন করে একই কথা লিখতে পারেন আলাবাকে। কারণ দুজনই যে চোটে পড়েছেন!


গতকাল রাতে হেতাফের রিয়ালের ১-০ গোলে জয়ের ম্যাচে চোটে পড়েছেন আলাবা ও কামাভিঙ্গা। দুঃসংবাদ হলো, আগামী শনিবার রাতে কোপা দেল রে ফাইনালে তাঁদের মাঠের বাইরে থাকার সম্ভাবনাই বেশি। ম্যাচটি একে তো ফাইনাল, তারওপর প্রতিপক্ষ দলের নাম বার্সেলোনা, যাদের বিপক্ষে এ মৌসুমে দুটি ম্যাচেই হেরেছে রিয়াল। আলাবা ও কামাভিঙ্গার চোট তাই মাদ্রিদের জন্য দুশ্চিন্তার বড় কারণ।

কুঁচকিতে চোট পান কামাভিঙ্গা
কুঁচকিতে চোট পান কামাভিঙ্গা
এএফপি

হেতাফের বিপক্ষে জয়ের পর রিয়াল কোচ আনচেলত্তি দুজনের চোট নিয়ে কথা বলেন। তাঁর কণ্ঠে কোপা দেল রে ফাইনালে দুজনকে না পাওয়ার সুর, ‘আগামীকাল (আজ) কী হয় আমরা দেখব। আমার মনে হয় দুজনেই মাংসপেশির ব্যথায় ভুগছে। শনিবার খেলাটা তাই তাদের জন্য অবশ্যই কঠিন হবে।’



রিয়ালের একাদশের হয়ে মাঠে নামা আলাবাকে ৪৫ মিনিটে মাঠ থেকে তুলে নেন আনচেলত্তি। বাঁ পায়ের মাংসপেশিতে চোট পেয়েছেন এই অস্ট্রিয়ান সেন্টারব্যাক। তাঁর বদলি হিসেবে নামা কামাভিঙ্গা ৮৫ মিনিটে হেতাফে মিডফিল্ডার লুইস মিলার চ্যালেঞ্জের সামনে পড়ে কুঁচকিতে চোট পান। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মার্কা’ জানিয়েছে, কামাভিঙ্গা মাঠ ছেড়ে যেতে না চাইলেও ব্যথার কাছে হার মেনে বাধ্য হয়েই তাঁকে মাঠের বাইরে যেতে হয়। বদলি খেলোয়াড় নামানোর সুযোগ আর না থাকায় কামাভিঙ্গা উঠে যাওয়ার পর ১০ জন নিয়ে খেলেছে রিয়াল।

বার্সার বিপক্ষে লেফটব্যাক পজিশনে এখন ফ্রান গার্সিয়াই ভরসা আনচেলত্তির। ফাঁরলা মেন্দি ছন্দে নেই আর আলাবা তো চোটে পড়লেন। ফ্রান গার্সিয়াকে ক্লাসিকোয় খেলালে তাঁর দায়িত্ব হবে ১৭ বছর বয়সী লামিনে ইয়ামালকে আটকানো।

আন্তর্জাতিক সংবাদ বিশ্লেষণ: কাশ্মীরে পর্যটক হত্যাকাণ্ড, এপ্রিল ২০২৫

আন্তর্জাতিক সংবাদ বিশ্লেষণ: কাশ্মীরে পর্যটক হত্যাকাণ্ড, এপ্রিল ২০২৫


🌍 ঘটনা সংক্ষেপ

২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে, কাশ্মীরের পাহেলগামে একটি ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিরীহ পর্যটক নিহত হন। এই হামলা ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া তৈরি করে এবং বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। নিচে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এই ঘটনার কীভাবে প্রতিবেদন করেছে, তার তুলনামূলক বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো।





🔹 ভারত সরকার ও ভারতীয় মিডিয়া (টাইমস অব ইন্ডিয়া, রিপাবলিক টিভি, ইন্ডিয়া টুডে)

  • অভিযোগ: পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠনসমূহ (TRF, লস্কর-ই-তৈয়বা, হিজবুল মুজাহিদিন) এই হামলার জন্য দায়ী।

  • ব্যাখ্যা: কাশ্মীরে বাইরের লোকদের বসতি স্থাপনে বাধা দিতে এবং অঞ্চলটি অস্থিতিশীল করতে হামলাটি পরিচালিত হয়েছে।

  • পদক্ষেপ: ভারত কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থগিত করে, ইন্দাস জলচুক্তি স্থগিত করে এবং সীমান্তে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করে।


🔹 আল জাজিরা (কাতারভিত্তিক)

  • প্রতিবেদন: TRF নামক একটি গোষ্ঠী দায় স্বীকার করেছে — তবে সরাসরি পাকিস্তানকে দোষারোপ করেনি।

  • প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ: কাশ্মীরের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং ভারতের নীতিমালার প্রতিক্রিয়ায় এই হামলা ঘটে থাকতে পারে।

  • অবস্থান: সতর্ক ও বহুমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশে মনোযোগী।


🔹 বিবিসি (যুক্তরাজ্যভিত্তিক)

  • প্রতিবেদন: ভারতীয় কর্মকর্তারা পাকিস্তানকে দোষারোপ করছেন — তবে সেই দাবি যাচাই করা হয়নি বলেই জানানো হয়েছে।

  • সন্তুলিত দৃষ্টিভঙ্গি: ভারত ও পাকিস্তান উভয়ের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে।

  • বিশ্লেষণ: TRF-এর দায় স্বীকার তুলে ধরা হলেও, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার কোনো সরাসরি উল্লেখ নেই।





🔹 রয়টার্স ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP)

  • প্রতিবেদন: TRF হামলার দায় স্বীকার করেছে — এমন তথ্য উপস্থাপন করেছে।

  • যাচাই: ভারত ও পাকিস্তানের দাবিগুলো উভয়ই উপস্থাপন করেছে, তবে সরাসরি দোষারোপ করেনি।

  • অবস্থান: নিরপেক্ষ, যাচাইকৃত তথ্য উপস্থাপনেই গুরুত্ব।


🔹 পাকিস্তান সরকার

  • প্রতিক্রিয়া: সরাসরি এই হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে।

  • অভিযোগ: ভারতের এই দোষারোপ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যর্থতা আড়াল করার প্রচেষ্টা।

  • দাবি: আন্তর্জাতিক তদন্ত বা তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে।


🔎 সংক্ষেপ সারণি

সংবাদমাধ্যম পাকিস্তানকে দোষ দিচ্ছে?        TRF-এর উল্লেখ   স্বতন্ত্র যাচাই  ভঙ্গি
ইন্ডিয়া টুডে / TOI হ্যাঁ হ্যাঁ না আক্রমণাত্মক
আল জাজিরা না হ্যাঁ আংশিক প্রেক্ষাপটভিত্তিক
বিবিসি না (উল্লেখ করেছে) হ্যাঁ আংশিক নিরপেক্ষ
রয়টার্স / AP না (দাবি তুলে ধরেছে) হ্যাঁ হ্যাঁ নিরপেক্ষ
পাকিস্তান সরকার না না না আত্মপক্ষ সমর্থন

✅ উপসংহার

এই ঘটনা প্রমাণ করে, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন এবং দৃষ্টিভঙ্গিতে কতটা পার্থক্য থাকতে পারে। যেখানে ভারতীয় মিডিয়া সরাসরি পাকিস্তানকে দায়ী করেছে, সেখানে BBC, রয়টার্স-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থা অনেক বেশি সতর্কতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখেছে। আল জাজিরা ঘটনাটিকে কাশ্মীরের অভ্যন্তরীণ প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ করেছে। পাঠকদের উচিত বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য যাচাই করে নিজের বিচার-বুদ্ধি প্রয়োগ করা।


প্রস্তুত করেছেন: সোহরাব হোসাইনের জন্য, ChatGPT, এপ্রিল ২০২৫

মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৫

কেনো এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় এমবাপ্পে?

মারাত্মক ফাউল করেও বড় শাস্তি পাচ্ছেন না কিলিয়ান এমবাপ্পে। রিয়াল মাদ্রিদের এ ফরোয়ার্ডকে মাত্র এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

পরবর্তী লা লিগার ম্যাচে খেলতে পারবেন না এমবাপ্পে। ছবি: রয়টার্স
পরবর্তী লা লিগার ম্যাচে খেলতে পারবেন না এমবাপ্পে। ছবি: রয়টার্স

ফলে অ্যাথলেটিক ক্লাবের বিপক্ষে পরবর্তী লা লিগার ম্যাচে খেলতে পারবেন না তিনি। মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

 
 
 
ফাউলের ধরন দেখে ধারণা করা হয়েছিল, দুই থেকে তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় পড়তে পারেন এমবাপ্পে। তাতে এল ক্লাসিকো থেকে ফরাসি তারকার ছিটকে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। আগামী ২০ এপ্রিল কোপা দেল রে’র ফাইনালে বার্সোলোনার মুখোমুখি হবে রিয়াল।
 
তবে স্বস্তির খবর, রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের ডিসিপ্লিনারি কমিটি এমবাপ্পেকে লাল কার্ডের সর্বনিম্ন শাস্তি-ই দিয়েছে। ওই ঘটনার পর এমবাপ্পে ব্লাঙ্কো এবং রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
 
 
এদিকে একই ম্যাচে ভিনিসিউস জুনিয়রকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখা আলাভেসের ডিফেন্ডার মানু সাঞ্জেসও এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন।
 

৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে বার্সেলোনা




ডর্টমুন্ড ৩:১ বার্সেলোনা {দুই লেগ মিলিয়ে বার্সেলোনা ৫-৩ ব্যবধানে জয়ী}

চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ার্টার ফাইনাল প্রথম লেগে ৪-০ ব্যবধানে জয় পায় বার্সেলোনা। তবে মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) রাতে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের মাঠে দ্বিতীয় লেগে ৩-১ গোলে হারে কাতালানরা। মোট দুই লেগ মিলিয়ে বার্সেলোনা ৫-৩ ব্যবধানে জয়ী হয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে দলটি।

 অবশেষে, চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে বার্সেলোনা উঠলো ছয় বছর পর। ম্যাচ শুরু হয় বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের ঘরের মাঠ সিগনাল এদুনা পার্কে। ম্যাচের ১১ মিনিটেই গোলকিপার ভয়েচেক সেজনির ফাউলের কারণে পেনাল্টির বাঁশি বাজে বার্সেলোনার বিপক্ষে। যে পেনাল্টি থেকে গোল করে ডর্টমুন্ডকে এগিয়ে দেন সেরহু গিরাসি। ফলে ম্যাচের প্রথমেই পিছিয়ে পড়ে হানসি ফ্লিকের শীর্ষরা।

দুই লেগ মিলিয়ে স্কোরলাইন ৪-১ থাকায় তখনো অতটা দুশ্চিন্তার কারণ ছিল না বার্সেলোনার। এভাবেই এক গোল খেয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে বার্সা।

বিরতির পর বার্সাকে আরও চাপে ফেলে ডর্টমুন্ড। ম্যাচের ৪৯তম রামি বেনসেবাইনির হেড পাস থেকে হেডে বল জালে জড়ান গিরাসি। দুই লেগ মিলিয়ে স্কোরলাইন ৪-২। তবে ৫৩তম মিনিটেই একটি গোল পেয়ে যায় বার্সেলোনা। ব্যবধান বেড়ে ৫-২ পৌঁছায়।

ম্যাচের ৭৫তম মিনিটে ডর্টমুন্ডের হয়ে আরেকটি গোল করেন গিরাসি। স্কোরলাইন ৫-৩ ব্যবধানে এনে সমতার জন্য মরিয়া চেষ্টা ছিল ডর্টমুন্ডের। তবে শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানে ম্যাচ জিতেও দুই লেগের স্কোরলাইনে হতাশা নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায় নিতে হয় ডর্টমুন্ডকে।

/এআই